প্রকাশিত: Fri, May 26, 2023 10:40 AM
আপডেট: Fri, Jun 5, 2026 1:15 PM

মুরগীর দাম সপ্তাহজুড়ে স্থিতিশীল, অস্থির আদা ও পেঁয়াজের বাজার

মাসুদ আলম: এক মাস আগেও খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়। সেটি এখন ৮০ টাকায় দাঁড়িয়েছে।  পেঁয়াজের পর এখন আবার দাম বেড়েছে আদার। গত এক সপ্তাহ ধরে দেশি প্রতিকেজি আদা বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায়।  আর চায়না আদা বিক্রি হচ্ছে ৪৫০-৪৬০ টাকায়। 

এছাড়া দেশি রসুন বড়টা প্রতি কেজি ১৪০ টাকা ও  চায়না রসুন প্রতি কেজি  ১৫০-১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বগতির ফলে অস্বস্তিতে ক্রেতারা। এছাড়া সবজি, মাছ-মাংস-মশলার বাজারেও স্বস্তি মিলছে না।  অধিকাংশ সবজি ৮০ টাকার ওপরে।  

শুক্রবার রাজধানীর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি পটল ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০-৭০ টাকা, বেগুন ৮০, ঝিঙে ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, কাকরোল ১০০ টাকা, লাউ ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

এক সপ্তাহ ধরে স্থিতিশীল রয়েছে মুরগির বাজার। ব্রয়লার প্রতিকেজি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা ও সোনালি মুরগির কেজি  ৩০০ টাকায়। 

বিক্রেতারা বলছেন, আমাদের দেশে আমদানি করা আদার প্রায় অর্ধেক চীনা। বাকি আদা মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামসহ অন্যান্য দেশ থেকে আসে। কিছুদিন ধরে বাজারে চীনা আদা আসছে না তাই সংকট সৃষ্টি হয়েছে। ভাটারা নুরেরচালা মতিন স্টোরের ম্যানেজার আল ইসলাম বলেন, বাজারে দেশি আদা থাকলেও আমদানি করা আদার সরবরাহ কম। তাই বাড়তি দাম। পেঁয়াজের দামও উর্ধ্বমুখী। এছাড়া সব ধরনের মসলার দামও বাড়তি। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দাম আরও বাড়বে। 

ভাটারা খিলবাড়িরটেকের বাসিন্দা কাউছার আহমেদ বলেন, প্রতিটি নিত্যপণ্য ক্রয়ক্ষমতার বাহিরে। আমাদের আয়তো বাড়ছে না। লাগামহীন ভাবে নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকলে পরিবার নিয়ে গ্রামে চলে যেতে হবে। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব